আমাদের নারায়ণগঞ্জ২৪.কম
পিএসজির আক্রমণভাগে কিলিয়ান এমবাপ্পের সঙ্গে জুটি বেঁধে আলো ছড়ান নেইমার। ইউরোপিয়ান ফুটবলের আক্রমণভাগে অন্যতম সেরা জুটি বলাই যায় তাঁদের। মাঠে দুজনের এই বোঝাপড়া কি দেখা যায় মাঠের বাইরেও?
অনুশীলনে বা মাঠে গোল উদ্যাপনের পর দুজনের খুনসুটিও বেশ চোখে পড়ে। বোঝা যায়, নেইমারের সঙ্গে সম্পর্কটা বেশ ভালোই জমে উঠেছে এমবাপ্পের। আর সেই সম্পর্কের পেছনের গল্পটাই এবার বললেন ২২ বছর বয়সী বিশ্বকাপজয়ী ফরাসি তারকা।
নেইমারকে ঘিরে যে আক্রমণভাগ গড়ে তোলার পেছনের কারিগর হিসেবে এমবাপ্পে কাজ করছেন। আর এই ভূমিকাটাও মেনে নিয়েছেন এমবাপ্পে। এভাবে সতীর্থকে সাহায্য করতে পেরে খুশি এই ফরাসি তারকা। ২০১৭ সালে বার্সেলোনা ছেড়ে পিএসজিতে যোগ দেন নেইমার। এমবাপ্পেকে পাশে নিয়ে পিএসজিতে তিনবার লিগ আঁ শিরোপা জিতেছেন।
কদিন আগেই নেইমার বলেছেন, ‘এমবাপ্পে যেন এই ক্লাবে থেকে যায়। কারণ, আমার মনে হয় সেটা পিএসজির সব সমর্থকেরই চাওয়া।’ নেইমারও এ মুহূর্তে পিএসজি ছাড়তে চান না। সব মিলিয়ে দুজনের মেলবন্ধন আরও সাফল্য এনে দেবে পিএসজিকে, এমনটাই চাওয়া পিএসজি–সমর্থকদের। দুজন একসঙ্গে আরও অনেক দিন খেলতে চান। এমবাপ্পেও জানালেন, নেইমারের সঙ্গে খেলতে তাঁর বেশ ভালোই লাগে, ‘আমি সব সময় বিশ্বাস করি, বিখ্যাত খেলোয়াড়দের একসঙ্গে খেলার জন্যই জন্ম। আমাদের দুজনের মধ্যেও এটা পরিষ্কার। নেইমার আক্রমণের মূল দায়িত্বে এবং আমি সেখানে তাঁকে সাহায্য করি। কারণ, আমি যখন এই ক্লাবে আসি, আমি শুধুই একজন তারকা ছিলাম, যে নিজের জায়গাটা ধরে রাখতে চাইত। তা ছাড়া তুলনা করলে আমি তাঁর এবং কাভানিরও (এদিনসন) পেছনে ছিলাম।’
নেইমার যেন ফুটবলের নতুন দুনিয়ায় পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন এমবাপ্পেকে, ‘নেইমারের সঙ্গে থেকে আমি নতুন ধরনের ফুটবল শিখেছি। তাঁকে ধন্যবাদ যে আমি নিজের খেলার আরও উন্নতি করতে পেরেছি। কারণ, তিনি পাশে থাকা ফরোয়ার্ডদের সঙ্গে ওয়ান টাচ, টু টাচে খেলতে পছন্দ করেন। তিনি আমার খেলায়, মুভমেন্টে অনেক গতি ও বৈচিত্র্য এনেছেন।
এমবাপ্পের কথায়, এমন খেলোয়াড়ের বোঝার মতো ফুটবলারও দরকার ক্লাবে, ‘তাঁর মতো এমন বড় মাপের খেলোয়াড় কেনার পর অবশ্যই আপনাকে আরও এমন কাউকে কিনতে হবে, যে তাঁর সঙ্গে দুর্দান্ত রসায়ন গড়তে পারবে।’
দুজনের রসায়নে পিএসজিকে ভবিষ্যতে নিতে চান অনন্য উচ্চতায়, ‘তিনি আমার কথা শোনেন। আমরা আমাদের সম্ভাবনার ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ দিতে পেরেছি। আমি জানি, আমরা আরও বেশি কিছু দিতে পারি।’
দেখা যাক, দুজনের এই সম্পর্ক পিএসজিকে আর কী কী সাফল্য এনে দেয়!